Home  » ভূমিকা

ভূমিকা

ক্ষুদ্র ঋণের মাধ্যমে পল্লীর হতদরিদ্র জনগোষ্ঠির অর্থনৈতিক নির্ভরতা অর্জনের জন্য সরকার ও জনগণের অংশিদারিত্বে দ্বি-স্তর বিশিষ্ট কৃষক সমবায় আন্দোলন এর জনক হলেন ডক্টর আকতার হামিদ খাঁন। আর তাঁর হাত ধরেই ১৯৬০ সালে তৎকালীন পাকিস্থান পল্লী উন্নয়ন একাডেমী প্রতিষ্ঠা পায়। এ বিষয়ে তিনি ১৯৬৩ সালে ম্যাগসেসে পুরস্কার এবং ১৯৬৪ সালে আমেরিকার মিসিগান টেষ্ট ইউনির্ভারসিটি থেকে অনারাসী ডক্টরেট ডিগ্রী লাভ করেন। তারই ধারাবাহিকতায় দেশ স্বাধীন এর পর তৃতীয় বিশ্বের হতদরিদ্র শোষিত ও মেহনতি মানুষের নেতা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ জাতীয় পল­ী উন্নয়ন সমবায় ফেডারেশন নিজ হাতে গঠন করেন এবং এর মাধ্যমে দ্বি-স্তর বিশিষ্ট কুমিল­া সমবায় পদ্ধতি চালু করেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর মতে- “বাংলাদেশকে সত্যিকার সোনার বাংলা গড়ে তোলার ব্যাপারে সমবায় আন্দোলনের বিকল্প নেই। তবে পুরনো আমলের সমবায় থেকে এই সমবায়ের রূপ ও ভূমিকা ভিন্নতর। এই সমবায় পদ্ধতি সত্যিকার অর্থে গণমুখী, কৃষক, শ্রমিক, তাতী, জেলে এক কথায় সকল মেহনতি মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির সহায়ক। সমবায় আন্দোলন যদি এই আদর্শকে সামনে রেখে অগ্রসর হয় তবে মেহনতি মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন অপরিহার্য”। ফেডারেশন জম্মলগ্ন থেকেই কৃষক,মহিলা, বিত্তহীন সমবায়ীদের  নিজস্ব পূজিগঠন,দক্ষ নেতৃত্ব সৃষ্টির মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং দারিদ্র বিমোচনে কাজ করে আসছে। ফেডারেশন মূলতঃ একটি উদ্বুদ্ধকারী সমবায় প্রতিষ্ঠান হিসেবে সদস্য শিক্ষা ও স্থানীয় নেতৃত্বের উদ্ভব ও বিকাশ পর্যায়ে নিবেদিত রয়েছে।

বাংলাদেশ জাতীয় পল্লী উন্নয়ন সমবায় ফেডারেশন জাতির জনকের স্বপ্নের শোষন ও বৈষমমুক্ত সোনার বাংলা গড়তে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত “ডিজিটাল বাংলাদেশ” গড়ার লক্ষকে সামনে রেখে দারিদ্র্র্য বিমোচনে আন্তর্জাতিক ধ্যান ধারনা অর্জনসহ বাংলাদেশের সমবায়ী কৃষকদের স্বার্থ সংশি­ষ্ট বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলছে। উলে­খ্য যে, চরম প্রতিকূলতার মধ্যেও সমবায়ী কৃষকদের জাতীয় ভিত্তিক এই গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে ৪৪৫ টি ইউসিসিএ, ৬০,০০০টি গ্রাম ভিত্তিক প্রাথমিক সমিতি ( কেএসএস) এবং প্রায় ১.৫০কোটি কৃষকদের সরাসরি প্রতিনিধিত্ব করছে।

Bangla Font Download